অনলাইনে গুজব ছড়ানো কয়েকজনকে চিহ্নিত
বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার পেছনে একটি বড় কারণ হয়ে উঠেছে অনলাইনে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছদ্মবেশে সক্রিয় কিছু সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। এদের একটি অংশ জুম মিটিং ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সংগঠিত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী পরিকল্পনা করছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ জনগণের জান-মাল ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে। ইতোমধ্যে কয়েকটি এলাকায় সংঘটিত গোপন মিছিল, পোস্টারিং ও উত্তেজক বক্তব্যের মাধ্যমে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রেসক্লাব নিউজ টোয়েন্টিফোরকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, “গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতিত আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মী বর্তমানে বিদেশে পালিয়ে থেকে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তারা দেশীয় ক্যাডারদের হাতে বিপুল অঙ্কের অর্থ সরবরাহ করছে।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, এসব ক্যাডারদের মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা শাহিন আহমেদ রকি ও বিশ্বজিৎ চন্দ্র দাসের নাম ইতোমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে। এদের গ্রেপ্তার করতে পারলে অর্থ-যোগানদাতাদের সন্ধান পাওয়া সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট দেশের সচেতন নাগরিকদের আহ্বান—এ ধরনের দেশবিরোধী চক্রকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও, ষড়যন্ত্র ও সহিংসতা কখনোই বরদাশযোগ্য নয়।

